ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঢাকা-সিলেট রেলপথের আজমপুর বাইপাস রেলপথের খড়মপুর এলাকায় রেলসেতুর নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে আখাউড়া থানা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের পাশে থাকা একটি ব্যাগ থেকে মানিব্যাগ, কিছু টাকা, একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন ও কর্মরত প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। পরিচয়পত্রে ‘হা-মীম গ্রুপের বঙ্গ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি’র ওয়েল্ডিং সেকশনের কথা উল্লেখ রয়েছে। কার্ডে মো. মিজান নাম লেখা রয়েছে। পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে মরদেহের চেহারার মিল রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ট্রেন থেকে পড়ে অথবা ট্রেনের ধাক্কায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মরদেহের মাথা ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
রেলসেতুর নিচে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আখাউড়া রেলওয়ে জিআরপি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কাদের বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ট্রেনের ধাক্কায় অথবা ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তার মাথা ও মুখে আঘাত রয়েছে। মরদেহের পাশে থাকা ব্যাগে মানিব্যাগ, কিছু টাকা, মোবাইল ফোন ও একটি কোম্পানির পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে।
আখাউড়া থানার ওসি মো. জাবেদ উল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রেলসেতুর নিচের দুই পাশ নেট দিয়ে ঘেরা থাকায় বাইরে থেকে মরদেহ ভেসে আসার সুযোগ নেই। হয়তো ট্রেন থেকে পড়ে তিনি মারা গেছেন, অথবা অন্য কোনো ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com