ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন জাহান বলেছেন, মাদকদ্রব্য সমাজ, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা। মাদকের ব্যবহার দিন দিন আমাদের প্রজন্মকে গ্রাস করে নিচ্ছে। এটি আমাদের সন্তানদের মেধা ধ্বংস করার পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে।
তিনি বলেন, মাদক সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে মাদক একটি ভয়াবহ সমস্যা হিসেবে যুবসমাজকে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে। মাদক কারবারিদের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়ে ভয়াবহ মরণনেশার নির্মম শিকারে পরিণত হচ্ছে এ দেশের তরুণ ও যুবসমাজ। মাদক সেবনের ফলে তরুণ ও যুবসমাজ তাদের জীবনীশক্তি, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও মেধা-মনন হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছে। হতাশায় নিমজ্জিত যুবসমাজের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। ফলে এসব তরুণ-যুবক বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে কুরুলিয়ার পাড়ে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মুখে আধুনিক চুল্লি ও ভারী যান (বুলডোজার) ব্যবহার করে আদালতের বিভিন্ন সময়ে নিষ্পত্তিকৃত মামলার মাদকসহ বিভিন্ন আলামত ধ্বংসকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া আক্তার, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন ভূইয়া, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিছবাহ উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফনান সুমী, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুকসহ আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ধ্বংসকৃত মাদক ও আলামতের মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ৩৪৩ কেজি ৭৮৩ গ্রাম গাঁজা, ৫৭ হাজার ২৯২টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ হাজার ৯৮৩ বোতল স্কফ সিরাপ, ৩৭৩ বোতল বিদেশি মদ, ৩৬১.২০০ লিটার চোলাই মদ, ৯৩ বোতল বিদেশি ক্যান, ২৮৭ ক্যান ফায়ার ড্রিল এবং ৩২ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া।
সূত্র জানায়, নিষ্পত্তিকৃত মামলার মাদক ও অন্যান্য আলামত ধ্বংসের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com