বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায় শোকসভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেলে আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নস্থ রাবিয়া খাতুন স্মৃতি পাঠাগার কক্ষে রাবিয়া খাতুন স্মৃতি পাঠাগার ও আকছির চৌধুরী চ্যারিটি ট্রাস্ট স্কুলের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ অর্ধশতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আকছির চৌধুরী চ্যারিটি ট্রাস্ট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মো. ফরিদ আহমেদ।
দোয়া শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রাবিয়া খাতুন স্মৃতি পাঠাগার ও আকছির চৌধুরী চ্যারিটি ট্রাস্ট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট আকছির এম চৌধুরী, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী হান্নান খাদেম, কবির হোসেন কানু, মনির হোসেন মুন্না, রনি চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন, তোফায়েল চৌধুরী, শিউলি আক্তার, তাসলিমা আক্তার প্রমুখ।
ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এডভোকেট আকছির এম চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাস আলোচনা করলে শেষ করা যাবে না। তিনি শুধু বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন না, বরং সময়ের পরিক্রমায় সারাদেশের অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর অন্তিম যাত্রায় সারাদেশ শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। ঢাকা মহানগরী পুরোটা যেন জানাজার মাঠে পরিণত হয়েছিল। এতে প্রমাণিত হয়, তিনি কেবল একটি দলের নেত্রী নন, বরং সমগ্র জাতির একজন অভিভাবক ছিলেন।
খালেদা জিয়াকে একজন মহান নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর ওপর দীর্ঘদিন ধরে যে নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে, তা তিনি নীরবে সহ্য করেছেন। কিন্তু কখনো কটু বাক্য উচ্চারণ করেননি। এমন ধৈর্য ও মহানুভবতা খুব কম নেতার মধ্যেই দেখা যায়। এই মহান নেত্রীর বিদায়ে গভীর শোক এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com