ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও ভারত ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি ঢলের পানিতে অন্তত ২৫টি গ্রাম কম-বেশী প্লাবিত হয়েছে। দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে সীমান্তের হাওড়া নদীর পানি। উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় লোকজন ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় কাজ করছে।
খোজ নেয়ার সময় দেখাগেছে, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও ভারত ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে আখাউড়া উপজেলার মোগড়া, মনিয়ন্ধ ও দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আবদুল্লাহপুর, বঙ্গেরচর, রহিমপুর, সাহেবনগর, খলাপাড়া, উমেদপুর, সেনারবাদী, কুসুমবাড়ি, আওরারচর, ছয়গড়িয়া, বাউতলা, দরুইন, বচিয়ারা, নোয়াপাড়া, নিলাখাত, টানুয়াপাড়া, শান্তিপুর, আদমপুর, খারকুট, মিনারকুট, টনকি, ইটনা, কর্নেল বাজার এলাকার কমপক্ষে দুই শতাধিক বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোকে সহায়তা করতে আইন শৃংখলা বাহিনীসহ উপজেলা প্রশাসনের লোকজন সকাল থেকে মাঠে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের খোজ খবর নিচ্ছেন। এছাড়াও স্থানীয় লোকজন হাওড়ানদীর বাঁধে মাটি ও বস্তা দিয়ে বাঁধ মজবুত করতে কাজ করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী মনজর রহমান জানান, এখনো হাওড়া নদীর বাধ ভাঙ্গার খবর পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত বৃষ্টি ও ভারতের পাহাড়ী ঢলে হাওড়ানদীর পানি দ্রæত বাড়ছে। বিপৎসীমা অতিক্রম করলে সীমান্ত এলাকায় বন্যার আশংকা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি, এম রাশেদুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ সকল পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে তালিকা তৈরী করা হচ্ছে।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com