দেশের সব সার কারখানার উৎপাদন চালু করা গেলে ইউরিয়া সার আমদানি বাবদ বছরে ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে আশুগঞ্জ সার কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে আশুগঞ্জ সার কারখানা। তবে চলতি বছরই গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাটির উৎপাদন পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিসিআইসি চেয়ারম্যান।
মো. বাবুল মিঞা বলেন, বিসিআইসির অধীন কারখানাগুলো সচল করতে কাজ চলছে। বর্তমানে বছরে ২৬ থেকে ২৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করতে হয়। কারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে উৎপাদন চালু করা গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়েও সার রপ্তানি করার সক্ষমতা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সার কারখানাগুলোর উৎপাদন চালুর ক্ষেত্রে প্রধান বাধা গ্যাস সংকট। গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাগুলো চালু করার লক্ষ্যেই কাজ চলছে। সব কারখানা সচল করা গেলে ইউরিয়া সার আমদানির প্রয়োজন হবে না।
পরিদর্শনকালে বিসিআইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মো. আলী আশরাফ ও উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com