ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় এলপিজি গ্যাসের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সরবরাহ কম-এমন অজুহাতে ১২ কেজির একটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করায় সাধারণ ভোক্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
এ পরিস্থিতিতে জনদুর্ভোগ লাঘবে কসবা উপজেলা প্রশাসন বাজারে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে। এর ধারাবাহিকতায় কসবা বাজারের সকল এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ীদের নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক সামিউল ইসলাম। মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈঠকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত মূল্যের বাইরে বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
এ সময় উপস্থিত সকল এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রির আশ্বাস দেন।
জরুরি এই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল কবির, কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানা এবং উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
কসবা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে এলাকার সচেতন মহল স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এলপিজি গ্যাসের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com