ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবায় পৃথক তিনটি অভিযানে ৩৪ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
১৫ এপ্রিল বুধবার দুপুরে কসবা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নিজেকে বিজিবির চাকরিচ্যুত সদস্য বলে দাবি করেছেন।
পুলিশ জানায়, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের তিনলাখপীর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুল্লাহ আল ফয়সাল (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার বহন করা একটি লাগেজ তল্লাশি করে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার কাউতলা এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে।
আটক ফয়সাল দাবি করেন, তিনি বিজিবিতে ছয় বছর চাকরি করেছেন এবং অন্য এক ব্যক্তি তাকে লাগেজটি পৌঁছে দিতে দিয়েছিল। তবে লাগেজের ভেতরে কী ছিল, তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেন। যদিও তিনি কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।
স্থানীয় বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন। ২০২৪ সালে দুই মাসের ছুটিতে বাড়িতে আসার পর তিনি আর কর্মস্থলে যোগ দেননি।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে কসবা পৌর শহরের টি. আলী বাড়ি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শরীরে বিশেষ কায়দায় লুকানো চার কেজি গাঁজাসহ মুরাদ মিয়া (৪৫) ও হেলাল মিয়া (৪৩) নামে দুজনকে আটক করা হয়। তারা নরসিংদীর চম্পকনগর এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া কুটি জাজিয়ারা এলাকায় ওয়াসিম মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ডিমের হাঁচির ভেতরে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা আরও ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, পৃথক তিনটি অভিযানে মোট ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে এবং জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল নিজেকে বিজিবির সাবেক সদস্য দাবি করলেও তার কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com