জন্ম নিয়েছিল জোড়া মাথার ছেলে শিশু। ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের সুপার ক্রিসেন্ট নামে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে শিশুটির জন্ম হয়েছিল। কিন্তু সিজার করার দুই ঘণ্টা পরই শিশুটি মারা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মাথা দু’টি হলেও শরীর একটি, হাত-পা দু’টি করে। শিশুটির কমন হার্ট ছিল, হার্টটি গলার কাছে ফোলা ছিল।
জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গাইনি চিকিৎসক ডা. জাকিয়া সুলতানা রুনা জানান, শুক্রবার রাতে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে জেলার আখাউড়ার এক গর্ভবতী মা আসেন। পরে তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে দেওয়া হয়। তখন জানা যায় -৩৮ সপ্তাহে শিশুর মাথা দু’টি হলেও শরীর একটি, হাত-পা দু’টি। কমন হার্ট ছিল, হার্টটি গলার কাছে ফোলা অবস্থায় ছিল। এটা আগে থেকে জানা ছিল না। গর্ভাবস্থায় প্রতিনিয়ত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকলে আগেই ধরা পড়তো, আমরা বুঝতে পারতাম। তখন ৪/৫ মাসে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। এত বড় হতে দিতাম না। তারা প্রতিনিয়ত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ছিল না।
তিনি বলেন, রাত ১০টার দিকে আমি ও (অ্যানেস্থেশিয়া) ডা. মকবুল হোসেন ওই গর্ভবতী মায়ের সিজার করি। কারণ, শিশুটির নরমাল ডেলিভারি সম্ভব ছিল না। তবে সিজারের দুই ঘণ্টা পরেই শিশুটি মারা যায়।
ডা. জাকিয়া সুলতানা রুনা জানান, ডিম্বাণু-শুক্রাণুর জিনগত সমস্যার কারণে এ ধরনের শিশুর জন্ম হয়ে থাকে। তবে শিশুটি বেঁচে থাকলেও এখানে অস্ত্রোপচারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ঢাকায় পাঠানো হতো।
আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
Development by: webnewsdesign.com