ব্রেকিং

x

মায়ের জন্য শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সয়লাব ফেসবুক

রবিবার, ১০ মে ২০২০ | ১০:৫৪ অপরাহ্ণ | 687 বার

মায়ের জন্য শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সয়লাব ফেসবুক

পৃথিবীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় শব্দের নাম মা। প্রতিটি সন্তানের জন্য মা হচ্ছে অনন্ত আশ্রয় আর সকল দু:খ, কষ্ট, বিপদ ও সংকটের মহৌষধ। মা ও সন্তানের সম্পর্ক আদি ও অন্তহীন। তাইতো  আজ রোববার মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাকে নিয়ে ভালোবাসার আকাশ ছোয়া প্রকাশ ঘটেছে।মাকে নিয়ে সন্তানদের উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা,  না বলা কথা কিংবা অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। সব সন্তানই আজ নীরবে বা সরবে স্মরণ করেছেন মাকে।


সরকারী-বেসরকারী চাকুরীজীবী, সাংবাদিক, রাজনীতিক নেতা থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী কিংবা গৃহবধূ সবাই মাকে নিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করছেন।


আখাউড়া উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার ভুমি ও বর্তমান চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন পপি তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন বাবা মারা যাবার পর বাবা মা দুটোই ছিল আম্মা। আজ ৩৪৩ দিন হলো আম্মাকে ছাড়া বেচে আছি। আমার পৃথিবীতে বাবা দিবস, মা দিবস বলে আলাদা কোন দিবস নাই। আমার প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুর্হুত বাবা আর মায়ের স্মৃতি মনে করেই কাটে। যখন রক্তমাংসের বাবা এই পৃথিবীতে ছিল,তখন তাদের যতটুকু অনুভব করতাম, তারচেয়ে শতগুণ বেশি অনুভব করি সারাজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলা বাবা মা কে। পরে তিনি পৃথিবীর সকল মাকে ভালো রাখতে সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করেন।

আখাউড়ার কৃতি সন্তান পুলিশ কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রাফি তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, মা আমাদের পরম আরাধ্য, একান্তই আপন! সন্তানের জীবনে মায়ের নিখাঁদ স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসার ব্যাপ্তি সর্বব্যাপী। সন্তানের সাথে মায়ের মায়াবী সম্পর্ক এমন অতল স্পর্শী যেন সীমার মাঝে অসীম!! সংসারের ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষের জন্যে এই ঐশ্বরিক সুন্দর বিষয়ের অবতারণাও অন্তর্দাহ বাড়ায়! মায়ের তুলনা কেবলই মা! তবুও আমার মতো মানুষেরা এভাবেই হয়তো হারানো মা’কে খুঁজে ফিরে। পরে তিনি. পৃথিবীর সকল মাকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা জানান।

দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক যুগান্তর সংবাদপত্রের সিনিয়র রিপোর্টার শিপন হাবীব তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, আম্মা আমার কাছে, আম্মা মানে-দিবস কিংবা দিন নয়, আমার কাছে আম্মা মানে-প্রতিটি সেকেন্ড মিনিট। বিশ্ব মা দিবসে তিনি পৃথিবীর সকল মাকে শ্রদ্ধা জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড. লোকমান হোসেন তার ফেসবুক ওয়ালে লিখলেন, নি:স্বার্থ নিরাপদ আ্শ্রয় মা, মা আমার জন্য সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্ঠ উপহার, মা আমার আলাদিনের চেরাগ, যখন যা চাই তাই পেয়ে যাই। শেষে তিনি মায়ের সুস্থ্যতার সাথে দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

আখাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন বেগ শাপলু তার মায়ের সাথে ছবি দিয়ে লিখেছেন, আমার কাছে প্রত্যেক দিনই মা দিবস, ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মায়েরা।

আখাউড়ার সাবেক পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম আহাম্মদ শাহ আল জাবের তার ফেসবুকে লিখেছেন, মা প্রতিটি মুর্হুতে তোমাকে মিস করি। সর্বশক্তিমানের কাছে প্রার্থনা করি মাকে দীর্ঘ ১০০ বছর নেক হায়াত দান করুন।

ইসমাইল চৌধুরী নামে এক ছাত্রলীগ নেতা মায়ের কোলে বসা আর স্টুডিওতে তোলা শিশুকালেরছবি দিয়ে লিখেন ফ্যামিলির সাথে ছোট কালের ছবির মা।

ইটালী প্রবাসী মামুনুর রশিদ মামুন তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, আমার দৃষ্টিকোণ থেকে আমার মা” সেরা মা”। কারন আমার বাবা ছিলে একজন সরকারী চাকুরীজীবি কর্ম ব্যস্ত মানুষ কিন্তু আমাদের মা” আমরা ৬ ভাই ও ১ বোনকে নিয়ে দিন রাত কঠিন সময় পাড় করে মানুষ করেছেন।

সড়ক বাজারের ব্যবসায়ি দুলাল ঘোষ জয় তার ফেসবুক ওয়ালে লিখলেন, আমরা দুই ভাই মাকে অনেক ভালোবাসি। জীবনে যা কিছু করি সবার আগে মা-র সাথে পরামর্শ ও অনুমতি নিয়েই করি। যতই শিক্ষা অর্জন করি বা যত বড় হয়না কেন মা-র জ্ঞান সবসময় বড় ও সঠিক হয়েছে আমাদের জন্য।

এছাড়াও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষিকা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সবাই আজ মা দিবসে নিজের মাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন।

মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘বিশ্ব মা দিবস’ পালিত হয়। আজ থেকে বহু বছর আগে এক মেয়ে তার মায়ের জন্য প্রবর্তন করেছিলেন মা দিবস। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান মেরি রিভস জার্ভিস ও তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জার্ভিসের উদ্যোগে প্রথম মা দিবস পালিত হয়। আনা জার্ভিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোর ও ওহাইওর মাঝামাঝি ওয়েবস্টার জংশন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

তার মা অ্যান মেরি সারাজীবন অনাথদের সেবা করে জীবন কাটিয়েছেন। ১৯০৫ সালে মারা যান মেরি। অনাথদের জন্য মেরির উৎসর্গিত জীবনের কথা অজানাই থেকে যায়। লোকচক্ষুর আড়ালে কাজ করা মেরিকে সম্মান দিতে চাইলেন তার মেয়ে আনা জার্ভিস। জার্ভিস নতুন এক উদ্যোগ নেন। মা অ্যান মেরির মতো ছড়িয়ে থাকা সব মাকে স্বীকৃতি দিতে আনা জার্ভিস প্রচার শুরু করেন। সাত বছরের চেষ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় ‘মা দিবস’। ১৯১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে মা দিবস পালনের ঘোষণা দেয়া হয়।

আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!