ব্রেকিং

x

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যা মামলার আসামি ধরা পড়ল মৃত অবস্থায়

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০ | ২:২১ অপরাহ্ণ | 669 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যা মামলার আসামি ধরা পড়ল মৃত অবস্থায়
ayesha_furniture

বিশ্বজিৎ পাল বাবু:
কাগজে কলমে হত্যা মামলার আসামি জলদার মিয়া (৫০)। খুঁজে পাচ্ছিলেন না পুলিশ। গত আট আগস্ট থেকে পুলিশের খাতায় তিনি পলাতক। অথচ ১০ আগস্ট তিনি মারা গেছেন নিজ বাড়িতে। পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত হাদিস মিয়া (২৮) হত্যা মামলার ১২নম্বর আসামি ছিলেন জলদার মিয়া। সোমবার রাতে উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল গ্রামের নিজ বাড়িতে আহতাবস্থায় তিনি মারা যান। জলদার মিয়া ধরমন্ডল গ্রামের সাহাব আলীর ছেলে। পরিবারের দাবি, তিনি সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন।


এদিকে জলদার মিয়ার মারা যাওয়ার পর থেকে হাদিস মিয়া ও জলদার মিয়ার পক্ষের পুরুষরা গ্রাম ছাড়া হয়ে গেছে। তবে এলাকার পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত আছে। নিয়মিত টহল দিচ্ছে পুলিশ। জলদার মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ মামলা হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অটোরিকশা সাইড না দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ধরমন্ডল বাজারে নজরুল ইসলাম ও একলাছ মিয়ার মধ্যে বাগবিতন্ডা ও পরে হাতাহাতি হয়। পরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধরমন্ডল সড়কে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে নজরুল ইসলামের সমর্থক মো. হাদিস মিয়া বুকে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাদিস মিয়াকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় হাদিস মিয়ার মা মরিয়ম চান বাদী হয়ে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করে নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই হত্যা মামলায় জলদার মিয়া ছিলেন ১২ নম্বর আসামি।

ধরমন্ডল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বাহার উদ্দিন চৌধুরী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানান, আগে এক পক্ষ এলাকা ছাড়া ছিল। এখন জলদার মিয়া মারা যাওয়ার পর দুই পক্ষের পুরুষ সদস্যরাই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তবে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। জলদার মিয়া সংঘর্ষের সময় আহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

নাসিরনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় জলদার মিয়া আহত হয়েছিলেন কিনা তা জানা নেই। তবে তিনি মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!