ব্রেকিং

x

আখাউড়ায় লকডাউন উপেক্ষা করে বাজারে উপচে পড়া ভীড়, শিশু সন্তান হারিয়েছে প্রবাসীর স্ত্রী

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২০ | ১২:২৬ অপরাহ্ণ | 6805 বার

আখাউড়ায় লকডাউন উপেক্ষা করে বাজারে উপচে পড়া ভীড়, শিশু সন্তান হারিয়েছে প্রবাসীর স্ত্রী
শপিং করতে এসে শিশু সন্তান হারিয়ে পুলিশের সহায়তা নিচ্ছেন প্রবাসীর স্ত্রী

আখাউড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না ব্যবসায়িদের। পুলিশকেও তোয়াক্কা করছে না তারা। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক শাটার খোলা রেখে দেদারছে ঈদের কাপড় ব্যবসা চলছে।দোকান খোলা থাকায় মহিলাদের উপচে পড়া ভীড়। গাদাগাদি করে নির্ভয়ে কাপড়, জুতা আর কসমেটিক্সসহ ঈদের সপিং করছে মহিলারা।


এদিকে মহিলাদের উপচে পড়া ভীড়ের মধ্যে আজ শুক্রবার সকালে শপিং করতে এসে নয় বছরের এক শিশু সন্তান হারিয়েছে সালমা বেগম (৩৩) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রী। সড়ক বাজারের জুতা ক্রয়ের সময় শিশুটি হারিয়েছে বলে কর্তব্যরত আখাউড়া থানার এসআই তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন।


আজ শুক্রবার সরেজমিন খোজ নেয়ার সময় দেখাগেছে, সড়ক বাজার ঢাকা হোটেলের আশপাশসহ পুরো এলাকার প্রায় সব দোকান খোলা রয়েছে। দোকানগুলোতে ঈদের শপিং করতে আসা মহিলাদের উপচে পড়া ভীড়। বেবী কালেকশন, আদি সুজ, ইসলামিয়া ক্লথ স্টোর, টাইম সেন্টার, নিমাই মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে শুরু করে প্রায় সব কাপড় ও জোতার দোকানে মহিলারা গাদাগাদি করে ঈদের শপিং করছে। পুলিশ সামনে আসলে কাষ্টমারদের ভেতরে নিয়ে সব দোকানের শাটার নামিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে সড়ক বাজারে কর্তব্যরত আখাউড়া থানার এসআই তাজুল ইসলাম জানায়, ঈদের শপিং করতে এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বরিশল গ্রামের সালমা বেগম নামক এক প্রবাসীর স্ত্রী তার নয় বছরের শিশুকে অসাবধানতায় হাত থেকে ছুটে গিয়ে হারিয়ে যায়। পুলিশ শিশুটি উদ্ধারের জন্য তিনি সড়ক বাজারে মাইকিং করেছেন তবে এক ঘন্টা পর শিশুটি খোজে পাওয়া যায় বলেও তিনি জানান।

প্রবাসীর স্ত্রী সালমা বেগম জানায়, ঈদের নতুন পোশাক ও জুতা ক্রয় করতে তিনি সকালে সড়ক বাজারে আসেন। দোকানে জুতার কেনার সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ক্রেতার দ্রুত শাটার নামানো আর বিক্রেতাদের হুড়োহুড়িতে তার হাত থেকে সন্তান ছুটে গিয়ে হারিয়ে যায়। টানা এক ঘন্টা পর তিনি সন্তানকে খুজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে সড়ক বাজারে ঈদের শপিং করতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সচেতন মহল অভিমত প্রকাশ করেছেন।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা জানায়, গতকাল ১০ ক্রেতা-বিক্রেতাকে জরিমানাসহ ১১টি দোকানে তালা জুলিয়ে দেয়ার পরও ব্যবসায়িরা করোনা আইন অমান্য করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

আখাউড়ানিউজ.কমে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও চিত্র, কপিরাইট আইন অনুযায়ী পূর্বানুমতি ছাড়া কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!